|
পশুর খাদ্য পুষ্টিতে ভাগ বসায় ও পশুর রক্ত শোষণ করে।
পশু দিনদিন শুকিয়ে দূর্বল ও হাড্ডিসার হয়ে পড়ে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
পাতলা পায়খানা করে।
শরীরের লোম বা পশম উসকো খুসকো থাকে।
অনেক ক্ষেত্রেই বাছুরের মৃত্যু ঘটে।
বয়স্ক পশুর উৎপাদন কমে যায়।
|
|
করণীয়ঃ
|
|
পশুকে বছরে ৩-৪ বার নিয়মিত কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়াতে হবে
গবাদি পশুর বাসস্থান পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
বহিঃ পরজীরি ক্ষেত্রে নিয়মিত পরজীবি নাশক ঔষধ সেপ্র করতে হবে।
|
|
চিকিৎসাঃ |
ক) পাতা কৃমি। ট্রাইকেলা বেনডাজল / অক্সিবেনডাজল ইত্যাদি ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করা যেতে পারে
।
খ) ফিতা কৃমি। চিকিৎসা: নিকলোসামাইড জাতীয় ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করা যেতে পারে
।
গ) গোল কৃমি। চিকিৎসা: অলবেনডাজল /ফেনবেনডাজল /মে বেনডাজল /লিভামেসল /পাইপেরাজিন / আইভারমেকটিন ইত্যাদি ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করা যেতে পারে
।
বহিঃ পরজীবির মধ্যে উকুঁন, আঁটালী ও মাইট উল্লেখ যোগ্য। আইভারমেকটিন ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করা যেতে পারে
। |